অর্থবছরের শেষ: অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর ওঠানামা
নিজস্ব প্রতিবেদক·২ জুলাই, ২০২৬ এ ০১:০১ PM
গত ৩০ জুন শেষ হলো ২০২৩-২৪ অর্থবছর, যার রেশ ধরেই গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পথচলা। বিদায়ী অর্থবছরটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ছিল ঘটনাবহুল এবং চ্যালেঞ্জিং। এই সময়ে অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোতে ব্যাপক ওঠানামা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
অর্থবছরের শুরুতে মূল্যস্ফীতি ছিল এক বড় দুশ্চিন্তার কারণ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যায়। সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নিলেও এর প্রভাব পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ছিল চোখে পড়ার মতো।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপরও ছিল তীব্র চাপ। আমদানি ব্যয় মেটাতে গিয়ে রিজার্ভের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়, যা ডলারের বিপরীতে টাকার মানকে দুর্বল করে তোলে। তবে, অর্থবছরের শেষ দিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা বাড়ায় রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমে আসে, যা অর্থনীতিতে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়।
আমদানি-রপ্তানি খাতেও দেখা গেছে মিশ্র প্রবণতা। বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ নীতিমালার কারণে আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্যদিকে, পোশাক খাতসহ কয়েকটি প্রধান রপ্তানি খাত ভালো পারফর্ম করায় রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল, যা বৈদেশিক মুদ্রার ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করেছে।
সরকারের রাজস্ব আদায়ের চিত্রও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চ্যালেঞ্জ থাকলেও, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে সচেষ্ট ছিল। এই রাজস্ব দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও বাজেট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সামগ্রিকভাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরটি দেশের অর্থনীতির জন্য ছিল এক শিক্ষণীয় অধ্যায়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি ছিল প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো নতুন অর্থবছরে অর্থনীতির গতিপথ কেমন হবে, তার পূর্বাভাস দিচ্ছে।
নতুন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরুতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরও সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জোর দেওয়া জরুরি। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে এই পদক্ষেপগুলো অপরিহার্য।
আরো বাংলাদেশ সংবাদ
শ্রীমঙ্গলে হাঁস-মুরগি খোয়া যাওয়ার রহস্য উন্মোচন, ধরা পড়লো অজগর
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বাড়ি থেকে নিয়মিত হাঁস-মুরগি হারিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন বৃহস্পতিবার সকালে সাপটি উদ্ধার করে।
১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৭:০০ PM
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সায়েন্স ল্যাবে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা এবার সায়েন্স ল্যাবরটরি মোড় থেকে সচিবালয় অভিমুখে লং মার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না করলে আগামীকাল সকাল ১০টায় এই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:০০ AM
রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার: মানব ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ
রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার মানবজাতির চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক বিপ্লবী পরিবর্তন এনেছে। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনারের এই যুগান্তকারী আবিষ্কার রক্ত সঞ্চালনকে নিরাপদ করেছে এবং অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। এর আগে রক্ত সঞ্চালন প্রায়শই মারাত্মক প্রমাণিত হতো, কারণ বিজ্ঞানীরা জানতেন না যে সব রক্ত একই রকম নয়। ল্যান্ডস্টেইনারের গবেষণা কীভাবে এই রহস্য উন্মোচন করলো, সেই ইতিহাসই এখানে তুলে ধরা হলো।
১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৯:০০ AM
দামুড়হুদায় মডেল মসজিদের কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল মসজিদে কোরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবারের ঘটনার পর রোববার উভয় পক্ষ পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
১৩ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:০০ AM
