বিশ্বকাপ ফুটবলের জনপ্রিয় থিম সং: এক নজরে
নিজস্ব প্রতিবেদক·১০ জুন, ২০২৬ এ ০৯:০০ PM
ফুটবল বিশ্বকাপ সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে এক আবেগ ও ভালোবাসার নাম। এই বৈশ্বিক আসরকে ঘিরে শুধু খেলার মাঠেই উত্তেজনা থাকে না, এর বাইরেও তৈরি হয় এক ভিন্ন আবহ। এই আবহ তৈরির অন্যতম প্রধান উপকরণ হলো বিশ্বকাপের থিম সং বা অফিসিয়াল গানগুলো। প্রতিটি বিশ্বকাপের জন্য তৈরি হওয়া এই গানগুলো কেবল ইভেন্টের প্রচারই করে না, বরং এর মাধ্যমে আয়োজক দেশের সংস্কৃতি, ফুটবলের চেতনা এবং বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে।
১৯৬২ সালের চিলিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ থেকেই থিম সংয়ের ধারণা শুরু হয়। সেই বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ছিল 'এল রক দেল মুন্দিয়াল' যা গায় বিলি অ্যান্ড ক্লিফ। এরপর থেকে প্রায় প্রতিটি বিশ্বকাপেই দর্শক-শ্রোতাদের জন্য স্মরণীয় কিছু গান উপহার দেওয়া হয়েছে। এই গানগুলো টুর্নামেন্টের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে এবং বিশ্বকাপের স্মৃতিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
বিশেষ করে, ১৯৯০ সালের ইতালির বিশ্বকাপের 'উন'এস্টেট ইতালিয়ানা' (Un'estate italiana) গানটি, যা গেয়েছিলেন জিয়ান্না নান্নিনি ও এদোয়ার্দো বেনাতো, আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। এই গানটি ইতালির গ্রীষ্মকালীন ফুটবলের এক রোমান্টিক চিত্র তুলে ধরেছিল। এরপর ১৯৯৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপের 'গ্লোরি ল্যান্ড' (Gloryland) বা ১৯৯৮ সালের ফ্রান্সের বিশ্বকাপের রিকি মার্টিনের গাওয়া 'লা কোপা দে লা ভিদা' (La Copa de la Vida) গানগুলো বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
২০০২ সালের জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের 'বুয়েনোস দিআস' (Boom) গানটি ছিল এক ভিন্ন মেজাজের। এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক কোরাস দ্বারা গাওয়া এবং এশিয়ার সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছিল। এরপর ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপের শাকিরার গাওয়া 'ওয়াকা ওয়াকা' (Waka Waka) গানটি বিশ্বজুড়ে এক উন্মাদনা তৈরি করে। এই গানটি শুধু বিশ্বকাপের নয়, বরং আফ্রিকার সংস্কৃতি ও স্পিরিটকেও সারা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিয়েছিল।
২০১৪ সালের ব্রাজিলের বিশ্বকাপের 'উই আর ওয়ান' (Ole Ola) এবং ২০১৯ সালের রাশিয়ার বিশ্বকাপের 'লিভ ইট আপ' (Live It Up) গানগুলোও ছিল বেশ জনপ্রিয়। এই গানগুলো ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছিল। প্রতিটি গানই তার নিজস্ব ঢংয়ে বিশ্বকাপের মূল বার্তা, অর্থাৎ আনন্দ, ঐক্য এবং প্রতিযোগিতার মনোভাবকে তুলে ধরেছে।
বিশ্বকাপের এই থিম সংগুলো শুধু খেলার সময়ই নয়, টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরও দর্শকদের মনে থেকে যায়। এগুলো খেলার এক অবিস্মরণীয় অংশ এবং ফুটবলের আবেগ ও সংস্কৃতিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই গানগুলো যেন এক একটি স্মারক, যা প্রতিটি বিশ্বকাপের স্বতন্ত্র পরিচয় বহন করে।
আরো খেলাধুলা সংবাদ
বিশ্বকাপ ফাইনালে ফকল্যান্ড নিয়ে আর্জেন্টিনার বার্তা
কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনা যখন শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে, তখন দলটির খেলোয়াড় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও জিওভানি লো সেলসো এক ব্যানারে 'ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার' লিখে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন।
১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৭:০০ AM
শেষ মুহূর্তে মেসির জাদুতে ফাইনালে আর্জেন্টিনা
শ্বাসরুদ্ধকর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লিওনেল মেসির অসাধারণ পারফরম্যান্স জয় এনে দেয় লা আলবিসেলেস্তেদের।
১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৫:০০ AM
ডোয়ারশুইসের নৈপুণ্যে ফ্রিডমের গুরুত্বপূর্ণ জয়, টানা চতুর্থ হারে ডুবলো টিএসকে
ফ্রিডম দল ডোয়ারশুইসের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় পেয়েছে, যার ফলে তারা পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, টিএসকে তাদের টানা চতুর্থ পরাজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে পয়েন্ট তালিকার তলানিতেই রয়ে গেছে।
১২ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:০০ AM
বোলিংহামের জোড়া গোলে নরওয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড
ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় নিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়েও জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত জোড়া গোলে শেষ হাসি হেসেছে ইংলিশরা।
১২ জুলাই, ২০২৬ এ ০৮:০০ AM
