লেবার পার্টির মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তন: ফিলিস্তিনপন্থীদের আশা
নিজস্ব প্রতিবেদক·১২ জুন, ২০২৬ এ ০১:০৬ PM
যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে লেবার পার্টির নীতিতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ফিলিস্তিনপন্থী অ্যাক্টিভিস্টরা বিশ্বাস করেন যে, এই পরিবর্তন তাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি দলটিকে আরও সহানুভূতিশীল করে তুলবে এবং ইসরায়েলের প্রতি একটি কঠোর নীতি গ্রহণ করতে লেবার পার্টিকে উদ্বুদ্ধ করবে। তাদের এই আশার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ বিদ্যমান।
সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে পরিবেশবাদী দলগুলোর (Green parties) উল্লেখযোগ্য সাফল্য লেবার পার্টির উপর একটি নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। এই দলগুলো প্রায়শই ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেয়। তাদের এই উত্থান লেবার পার্টিকে তাদের নিজস্ব ভোটারদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ফিলিস্তিন-বান্ধব মনোভাবকে আরও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে বাধ্য করছে।
এছাড়াও, লেবার পার্টির সদস্যদের মধ্যে পরিচালিত সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে যে, দলের অনেক সদস্যই ইসরায়েলের বর্তমান নীতির প্রতি অসন্তুষ্ট এবং তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধানের পক্ষে। দলের নেতৃত্ব এই অভ্যন্তরীণ মতামতকে উপেক্ষা করতে পারছে না।
ফিলিস্তিনপন্থীদের মতে, এই দুটি কারণ—স্থানীয় নির্বাচনে পরিবেশবাদী দলগুলোর সাফল্য এবং দলের সদস্যদের মধ্যে ফিলিস্তিন-বান্ধব মনোভাবের বিস্তার—লেবার পার্টির নীতি নির্ধারকদের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে চাপ সৃষ্টি করছে। তারা আশা করছেন, এর ফলে দলটি ইসরায়েলের প্রতি আরও সমালোচনামূলক ও কঠোর নীতি গ্রহণ করবে।
ঐতিহ্যগতভাবে, লেবার পার্টি মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি অনুসরণ করে আসছে। কিন্তু বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ এই ঐতিহ্যবাহী নীতি থেকে সরে আসার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করছে। অ্যাক্টিভিস্টরা মনে করেন, এই ‘সি চেঞ্জ’ বা বড় পরিবর্তন কেবল লেবার পার্টির নীতিতেই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এই সম্ভাব্য পরিবর্তন যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক নীতিতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। যদি লেবার পার্টি ইসরায়েলের উপর চাপ সৃষ্টি করার মতো পদক্ষেপ নেয়, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়াকে নতুনভাবে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রাখে। তবে, এই পরিবর্তন কতটা কার্যকর হবে এবং এর সুদূরপ্রসারী ফলাফল কী হবে, তা সময়ই বলে দেবে।
আরো বিদেশ সংবাদ
সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন
যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে প্রায় ২৪৪ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবের জন্য ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের উন্নত মানের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রের একটি প্যাকেজ রয়েছে।
১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:০০ AM
ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক উপস্থিতি ইরাক থেকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নেবে। তবে, মার্কিন কোম্পানিগুলো ইরাকে তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যেতে পারবে।
১৫ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:০০ AM
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
মাত্র এক বছরের মাথায় ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ইউলিয়া স্বিরিদেঙ্কো।
১৫ জুলাই, ২০২৬ এ ০৮:০০ AM
যুক্তরাজ্যে তরুণদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধ্যরাতের কারফিউ
যুক্তরাজ্য সরকার ১৬-১৭ বছর বয়সী তরুণদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মধ্যরাতের পর কারফিউ জারির পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো তরুণদের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা এবং পড়াশোনা ও পারিবারিক সম্পর্কে আরও মনোযোগ দিতে উৎসাহিত করা।
১৫ জুলাই, ২০২৬ এ ০৭:০০ AM
