PencilerKali.comPencilerKali.com
🔴 সর্বশেষ
জন বার্নথালের নতুন দিগন্ত: নিজস্ব প্রজেক্ট ও স্পাইডার-ম্যানের সাথে পুনর্মিলনশ্রীমঙ্গলে হাঁস-মুরগি খোয়া যাওয়ার রহস্য উন্মোচন, ধরা পড়লো অজগরসিনেমার পর্দায় আসছে মির্জাপুর: 'এ' সার্টিফিকেটের লক্ষ্য নির্মাতাদেরপ্রভাস অভিনীত 'ফৌজি' মুক্তি পাচ্ছে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরেসুচিত্রা কৃষ্ণমূর্তির স্বাস্থ্য বীমা দাবির অভিযোগ, বিবৃতি দিলো আইসিআইসিআই লোম্বার্ডভূল ভুলাইয়া ৪ আসছে? কার্তিক আরিয়ান কি রুহ বাবা রূপে ফিরছেন?সান দিয়েগো কমিক-কনে ইতিহাস গড়তে চলেছে ‘রামায়ণ’সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদনজন বার্নথালের নতুন দিগন্ত: নিজস্ব প্রজেক্ট ও স্পাইডার-ম্যানের সাথে পুনর্মিলনশ্রীমঙ্গলে হাঁস-মুরগি খোয়া যাওয়ার রহস্য উন্মোচন, ধরা পড়লো অজগরসিনেমার পর্দায় আসছে মির্জাপুর: 'এ' সার্টিফিকেটের লক্ষ্য নির্মাতাদেরপ্রভাস অভিনীত 'ফৌজি' মুক্তি পাচ্ছে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরেসুচিত্রা কৃষ্ণমূর্তির স্বাস্থ্য বীমা দাবির অভিযোগ, বিবৃতি দিলো আইসিআইসিআই লোম্বার্ডভূল ভুলাইয়া ৪ আসছে? কার্তিক আরিয়ান কি রুহ বাবা রূপে ফিরছেন?সান দিয়েগো কমিক-কনে ইতিহাস গড়তে চলেছে ‘রামায়ণ’সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন
বিদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতিতে নতুন মোড়: ন্যাটো সম্মেলন ও সম্ভাব্য কৌশল

নিজস্ব প্রতিবেদক·১২ জুলাই, ২০২৬ এ ১০:০০ AM

যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতিতে নতুন মোড়: ন্যাটো সম্মেলন ও সম্ভাব্য কৌশল
শেয়ার করুন:FacebookWhatsAppTelegramX

তুরস্কে আয়োজিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অংশগ্রহণ কেবল ইউরোপের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি সাধারণ কূটনৈতিক বৈঠক হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং, ইরান বিষয়ক ক্রমবর্ধমান মার্কিন বক্তব্য এবং দেশটির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্পের এই উপস্থিতি একটি বৃহত্তর কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবং এই অঞ্চলের তথাকথিত ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ (Axis of Resistance) সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে নতুন করে সমন্বয় বা পুনর্গঠন আনা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাংকার হামলা এবং ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যেকার বৈরিতা চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে, ন্যাটো সম্মেলনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ট্রাম্পের উপস্থিতি তেহরানের উপর চাপ সৃষ্টির একটি কূটনৈতিক প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সাথে সমন্বিতভাবে ইরান-বিরোধী একটি ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন কৌশলগত পদক্ষেপের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে মার্কিন উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। দ্বিতীয়ত, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব সুসংহত রাখা এবং ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মতো মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও একটি বড় লক্ষ্য। ন্যাটো সম্মেলনের মাধ্যমে ট্রাম্প একদিকে যেমন ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে ইরান বিষয়ক আলোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, তেমনই অন্যদিকে এই অঞ্চলের অন্যান্য শক্তিগুলোর সাথেও একটি বোঝাপড়ায় আসার চেষ্টা করছেন।

‘প্রতিরোধ অক্ষ’ বলতে মূলত ইরান এবং সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেনের কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বোঝানো হয়, যারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিরোধিতা করে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে এই অক্ষকে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখে আসছে। ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পের এই উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্র এই অক্ষের প্রভাব খর্ব করার জন্য তার মিত্রদের সাথে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এটি কেবল সামরিক বা অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং কূটনৈতিক এবং তথ্যপ্রযুক্তিগত ক্ষেত্রেও এর প্রভাব দেখা যেতে পারে।

তবে, এই নতুন কৌশল কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ইরান তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের উপর নির্ভর করে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চাপ বৃদ্ধি পেলেও, তেহরান সহজে পিছু হটবে এমন সম্ভাবনা কম। বরং, এই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেলে তা পুরো অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। তাই, কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখাও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য।

ন্যাটো সম্মেলনের এই পার্শ্ব-আলোচনাগুলো একদিকে যেমন ইরানকে কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার একটি প্রচেষ্টা, তেমনই অন্যদিকে এটি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের আশ্বস্ত করার একটি প্রয়াসও বটে। ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে যে, ইরান যেন কোনোভাবেই তার পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে না পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রভাব বিস্তার করতে না পারে। এই লক্ষ্য পূরণে তারা বিদ্যমান কূটনৈতিক ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে দ্বিধা করছে না।

সব মিলিয়ে, তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতি এবং তার পরবর্তী কূটনৈতিক তৎপরতাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই পরিবর্তনগুলো আগামী দিনে এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।

আরো বিদেশ সংবাদ

সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন
বিদেশ

সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ও কুয়েতের কাছে প্রায় ২৪৪ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবের জন্য ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের উন্নত মানের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রের একটি প্যাকেজ রয়েছে।

১৬ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:০০ AM

ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে
বিদেশ

ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক উপস্থিতি ইরাক থেকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নেবে। তবে, মার্কিন কোম্পানিগুলো ইরাকে তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যেতে পারবে।

১৫ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:০০ AM

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
বিদেশ

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

মাত্র এক বছরের মাথায় ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ইউলিয়া স্বিরিদেঙ্কো।

১৫ জুলাই, ২০২৬ এ ০৮:০০ AM

যুক্তরাজ্যে তরুণদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধ্যরাতের কারফিউ
বিদেশ

যুক্তরাজ্যে তরুণদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধ্যরাতের কারফিউ

যুক্তরাজ্য সরকার ১৬-১৭ বছর বয়সী তরুণদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মধ্যরাতের পর কারফিউ জারির পরিকল্পনা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো তরুণদের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা এবং পড়াশোনা ও পারিবারিক সম্পর্কে আরও মনোযোগ দিতে উৎসাহিত করা।

১৫ জুলাই, ২০২৬ এ ০৭:০০ AM